নিজস্ব প্রতিবেদক
একজন পিতার কাছে মে’য়ের সুর’ক্ষা হওয়া উচিত ছিল সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। কিন্তু দাগনভূঁইয়ার দক্ষিণ আলীপুরের মোহাম্মদ কামালের কাছে সেই মেয়ে ছিল কেবল এক সিঁড়ি—যার ওপর পা দিয়ে সে উঠতে চেয়েছে টোকাই ফটিকের অ’পরাধ সা’ম্রাজ্যের শীর্ষে!
মোহাম্মদ কামাল শুধু একজন স্বার্থপর বাবা নন, তিনি একজন নৈতিক দে’উলিয়া, ক্ষম’তালোভী এক মানব-দা’নব। কু’খ্যাত স’ন্ত্রাসী টোকাই ফটিকের যৌ’নসেবা প্রদানে নিজের মে’য়েকে নিজের হাতেই তার কাছে তুলে দিয়েছেন এই কামাল। শুধু তাই নয়, সেই মেয়ের জীবন তছনছ করে দিয়েছেন জামাতা কাতারপ্রবাসী শিপনকে ধ্বংস করে দিয়ে।
মেয়ের সুন্দর ভবিষ্যতের কথা না ভেবে, কামাল চেয়েছেন টো’কাই ফটিকের ‘বিশ্বস্ত লোক’ হতে। সেই মোহে তিনি নিজের মেয়ে পিংকিকে সরাসরি ফটিকের হাতে তুলে দেন—একজন ‘প্যা’থলজিকাল মা’ফিয়া’র সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠুক, মেয়ের জীবন ন’রকে যাক—তাতে তার কিছু আসে-যায় না।
#টো’কাই ফটিক ও ওসি লুৎফরের যৌথ চাঁ’দাবাজ চক্রে ঢুকে কামাল নিজেও হয়ে উঠেছেন এক সক্রিয় খেলোয়াড়। শিপনের বিরুদ্ধে সাজানো মা’মলায় তিনিই মূল চালক। নিজের মেয়েকে ফাঁ’দে ফেলে, জামাতার বিরুদ্ধে মা’মলা দিয়ে, চাঁ’দাবাজির নাটক সাজিয়ে—সবকিছুই করেছেন একটাই উদ্দেশ্যে: টোকাই ফটিকের ‘ভক্ত তালিকা’য় নিজের নাম সোনালি অক্ষরে লিখিয়ে নেওয়া।
একজন পিতা হয়ে কীভাবে এমন অ’মানবিক কাজ করতে পারেন? কীভাবে ক্ষমতার জন্য নিজের রক্তসম্পর্ককে এমন প:শুর মতো পদদলিত করতে পারেন? মোহাম্মদ কামাল এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আজ সমাজের কাছে দেননি, কিন্তু ইতিহাস নিশ্চয়ই তার কাছ থেকে হিসাব নেবে।
সমাজ আজ জানতে চায়—এই ‘পিতৃবেশী’ মা’ফিয়া কবে বিচারের মুখোমুখি হবে? কবে নিজের অ’পরাধের জন্য কাঠগড়ায় দাঁড়াবে?